চট্টগ্রামতথ্যদুর্ঘটনাপরিবেশবিভাগশীর্ষ খবরসর্বশেষ

সিসিটিভির আওতায় পুলিশের নজরদারিতে মইজ্জ্যারটেক ও শিকলবাহা ক্রসিং পয়েন্ট

সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কর্ণফুলী উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এলাকা মইজ্জ্যারটেক ও শিকলবাহা ক্রসিং এ অপরাধ প্রবণ পয়েন্টে ৮টি সিসি ক্যামেরা বসিয়ে নজরদারি বাড়িয়েছে কর্ণফুলী থানা পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কর্ণফুলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলমগীর মাহমুদ বলেন, ‘সিএমপি পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের নির্দেশে গুরুত্বর্পূণ এলাকায় সিসিটিভি বসানো হয়েছে।’

প্রাথমিকভাবে জানা যায়, চট্টগ্রাম মেট্টাপলিটন পুলিশের নিজস্ব অর্থায়ানে শহরের মতো কর্ণফুলী উপজেলার ৮টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের বাঁকে বাঁকে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। যা সিএমপি কন্ট্রোল রুম হতে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, সিসি ক্যামেরা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে প্রশিক্ষিত জনবলের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। প্রতিটি ক্রিটিক্যালি মোড়ে স্থাপন করা দরকার প্যানেল মনিটর সুবিধাযুক্ত সিসি ক্যামেরার কন্ট্রোল রুমও।

কর্ণফুলী পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ ও এলাকাবাসী।

এরই মধ্যে কর্ণফুলী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আলমগীর মাহমুদের ফেইসবুক স্ট্যাটাসে ছবিসহ বিষয়টি পোস্ট করা হলে ভাল প্রচেষ্টা ও উৎকৃষ্ট উদ্যোগ বলে কমেন্টস করেছেন স্বয়ং সিএমপি পুলিশ কমিশনার মাহবুবর রহমান পিপিএম।

কর্ণফুলী থানার অপারেশন অফিসার মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, স্থানীয়রা যেন কোনো অপরাধী বা সন্ত্রাসীর খপ্পরে না পড়েন সেজন্যই সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। ধারাবাহিকভাবে চরপাথরঘাটার পুরাতন ব্রীজঘাট, বাংলাবাজার ঘাট, কর্ণফুলী ঘাট সহ উপজেলার বিভিন্ন ঝুকিঁপূর্ণ এলাকা গুলো সিসিটিভির আওতায় আনা হবে।’

নিরাপত্তা বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত এক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ‘কেউ যদি অপরাধ করে পার পেয়ে যায় তাহলে সেটা এই সিসিটিভির মাধ্যমে পুলিশ সনাক্ত করতে সক্ষম হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বন্দর জোনের উপ পুলিশ কমিশনার মো. হামিদুল আলম জানান,‘সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে সিসি ক্যামেরা বসানো হয় সম্পূর্ণ তথ্যটি পরে জানাবো।’

Comment here