শিরোনাম
পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষে নির্মাণ শ্রমিকদের দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ জেলা তথ্য অফিস কর্তৃক ৪০ তম বিসিএসে নবনিযুক্ত কর্মকর্তাবৃন্দকে সংবর্ধনা জামালপুর জেলা আ.লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন   ত্রিশালে কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়ন সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা ইসলামপুরে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি কাজের শুভ উদ্বোধন  ত্রিশালে বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও শিক্ষার্থীদের রান্না করা খাবার পরিবেশন  জাতীয় পার্টি ফুলবাড়ীয়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত জামালপুর ইসলামপুর বিনামূল্যে বীজ সার বিতরণ ও কৃষক সমাবেশ ত্রিশালে ভোক্তা অধিকারের অভিযান, ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা মাওলানা ভাসানীর ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

শহীদ এ্য‌াড: সিদ্দিকুর রহমান রাজার শাহাদাত বার্ষিকী আজ

ফরহাদ মিয়া রকি, আত্রাই (ন‌ওগাঁ) থে‌কে
  • আপডেট বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০২২
  • ৬০ দেখেছে

আজ ৩০ মার্চ সাবেক আত্রাই উপজেলার আওয়ামীলীগের সভাপতি শহীদ এ্যাড: সিদ্দিকুর রহমান রাজার ২৩তম শাহাদত বার্ষিকী।

১৯৯৯ সালের ৩০ মার্চ কুরবানি ঈদের পরদিন একটি সভা শেষ করে তিনি ও তার সহযোদ্ধা সাবেক আত্রাই উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি অরুন এবং আর এক সহযোগী মুক্তার মোটরসাইকেল যোগে বাড়ী ফিরছিলো। পথমধ্যে আত্রাইয়ের জগদাশ এলাকায় কয়েকজন চরমপন্থি সর্বহারা সদস্যরা তাদের পথ রোধ করলে মুক্তার রাজার লাইসেন্স করা অস্ত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর রাজা ও অরুনকে প্রথমে গুলি করে পরে জবাই করে হত্যা করে সর্বহারারা। তখনও ক্ষমতাই ছিল বর্তমান ক্ষমতাসীনদল। শহীদ রাজার বড় ভাই নাজিমুল ইসলাম খাজা মামলা করলেও সর্বহারা নেতাদের হুমকির মুখে মামলা তুলে নিতে বাধ্য হয়। ২৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও দোষীদের বিচার হয় নাই। বরং সেই সর্বহারা নেতারা বর্তমান ক্ষমতাসীনদের ঘাড়ে চেপে আবারও আত্রাই উপজেলায় চাওয়র হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।

একসময় নওগাঁ জেলার আওয়ামীলীগের কান্ডারী মরহুম আব্দুল জলিলের আত্রাই উপজেলার সব থেকে পছন্দের ব্যক্তি হয়েছিলেন এই রাজা। যে সময় আওয়ামীলীগ বলে কেউ নিজেদের উপস্থাপন করতে পারতো না ঠিক সেই সময় এই রাজা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আত্রাই উপজেলাকে আওয়ামীলীগের ঘাটি গড়ে তোলার চেষ্টা করেছে।তার চেষ্টা সফলও হয়েছে কিন্তু তিনি তা দেখে যেতে পারেন নাই।

এবার জেনে নেই ১৯৯৯ সালের পর আত্রাই রাজা ও অরুনকে হত্যার পর আত্রাই উপজেলায় সর্বহারারা মাথাতুলে দাড়ায়। আর শুরু হয় তাদের হত্যা লিলা, অপহরন, চাঁদাবাজী। তখন সবাই মুখবুজে এদের অত্যাচার সোয্য করতে থাকে। ২০০১ সালের পর জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহেদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) সর্বহারা নিধনে নামে। তাদের হাতে বেশ কিছু সর্বহারা নেতা নিহত হবার পর অত্র এলাকা থেকে সর্বহারা নেতারা পালাতে থাকে।

পরবর্তীতে ক্রসফায়ার শুরু হলে জঙ্গি ও সর্বহারা নিধন হয় আত্রাই থেকে। ২০১৭ শেষের দিকে আবার সর্বহারা হিসেবে পরিচিত কয়েকজন নেতাকে আত্রাই উপজেলায় প্রবেশ করতে দেখা যাচ্ছে যা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

সর্বশেষ যেই রাজা এই আত্রাই উপজেলা আওয়ামীলীগের ঘাঁটি হিসেবে তৈরি করতে সর্বহারার নিজের জীবন বিষর্জন দিলেন, আর সেই আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার কর্মসূচি নেওয়া হয় না এই দিনে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই সংক্রান্ত আরও খবর

ফেইসবুক পেজ

error: Content is protected !!