জাতীয়ঢাকাবাংলাদেশশীর্ষ খবরসর্বশেষ

ব্রুনেই সফর শেষে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

শুক্রবার বিকেলে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্রুনেই সফর শেষে সফরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলনে আসেন। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই ব্রুনেই সফরে বিভিন্ন চুক্তি, সমঝোতা ও সফরের বিভিন্ন দিক নিয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এরপর ঘণ্টাব্যাপী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘বিএনপির কোনো বিষয়ে সরকারের কোনো চাপ নেই। তাদের দলের একজন সদস্য জনগণের চাপের কারণে শপথ নিয়েছেন। বিএনপির চেয়ারপারসনকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের কিছু করার নেই বলে জানান’। আওয়ামী লীগে সুবিধাভোগী ঢুকছে, এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ পোড় খাওয়া দল। এই দলে সুবিধাভোগী বা অনুপ্রবেশকারী আছে বলে মনে করি না। তিনি বলেন, ‘কিছু লোক আসবে যাবে, এটা রাজনীতিতে স্বাভাবিক।
সাংবাদিকদের দেশে জঙ্গিবাদ নিয়ে উদ্বেগ-শঙ্কা আছে কিনা প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদ নিয়ে সব সময়ই উদ্বেগ হওয়ার কারণ আছে। তবে তা নিয়ন্ত্রণে আছে। সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। তবে সবার আগে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে’।
ভারত, রাশিয়া, জাপান ও চীন রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান বিষয়ে তাদের জোরালো ভূমিকা নেই, স্বীকার করেন৷ রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্হানান্তর প্রসংগে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা নিতে চেয়েছি। কিন্তু তারা যেতে চায় না। এর সঙ্গে বিদেশি সংস্থা ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাও চায় না৷ এই বাস্তবতায় আসন্ন বর্ষা মৌসুমে রোহিঙ্গাদের জান-মালের ক্ষতি হলে এর দায় বিদেশি সংস্থাকেও নিতে হবে’৷
কাগুজে পত্রিকার খারাপ সময় নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন যুগের চাহিদা বা প্রযুক্তির চাহিদা হলো অনলাইন সংবাদপত্রের। বিশ্বের অনেক দেশে বড় বড় পত্রিকা বন্ধ হয়ে গেছে। সেগুলো এখন কেবল অনলাইনে আছে। সম্প্রচার মাধ্যম সম্পর্কে বলেন, ‘অনেকেই টেলিভিশনের জন্য আবেদন করছেন। আমি বলেছি দিয়ে দাও। এতে চাকরির বাজার বড় হবে’৷

Comment here