গোয়াইনঘাটে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ ও ফসলি জমি পরিদর্শন করলেন ইউএনও

শাহ আলম, গোয়াইনঘাট (সি‌লেট) থে‌কে 
  • আপডেট বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০২২
  • ৩৮ দেখেছে

সিলেটের গোয়াইনঘাটে পাহাড়ি ঢলের কারণে আগাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ ও বোরো ধানের ফসলি জমি পরিদর্শন করেছেন গোয়াইনঘাটের ইউএনও তাহমিলুর রহমান। তিনি বুধবার বেলা ১১টায় উপজেলার পূর্ব জাফলং ইউনিয়নের সানকিভাঙা ও আসামপাড়া হাওরের ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা সমূহ পরিদর্শন করেন।

এ সময় গোয়াইনঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রায়হান পারভেজ, স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মিনহাজ হোসেন কামরান, গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মিনহাজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, স্থানীয় নলজুরি খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি মো. মহর আলী, জাফলং যুবলীগের আহ্বায়ক আফাজ উদ্দিন ও আওয়ামী লীগ নেতা ইব্রাহিম খান উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে ইউএনও তাহমিলুর রহমান বলেন, সব সময় কৃষকের সুবিধা অসুবিধাকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনায় নিয়ে মান সম্মত প্রকল্প নেয়া উচিত। সে লক্ষ্যে কৃষি ও কৃষকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যে কোন উন্নয়ন প্রকল্প বিষয়ে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। যুগোপযোগী পরিকল্পনার অভাবে যাতে করে কৃষকদের ঘাম ঝরানো পরিশ্রমের ফসল বিনষ্ট না হয় সে দিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। আর কৃষকরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন সেই দিকটা মাথায় রেখে আমাদের সকলের নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। আমরা সকলেই আরেকটু সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে হয়তো এই এলাকার কৃষকরা আজ এতটা ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতেন না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, গত শনিবার আকস্মিক ভাবে ডাউকি ও সারি নদী দিয়ে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বেড়িবাঁধ প্রকল্পের আওতায় ৫০ হেক্টর জমির বোরো ধান তলিয়ে যায়। সন্ধ্যার পর বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়ে সানকি ভাঙা হাওর, আসামপাড়া হাওর, বাউরবাগ হাওর (আংশিক) ও বাওন হাওর এলাকার ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ার পরিমাণ ৫০০ হেক্টার ছাড়িয়ে যায়। বর্তমানে বন্যার পানি অনেকটা কমলেও ক্রমেই ভেসে উঠছে ফসলি জমির ক্ষয়ক্ষতির চিত্র।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই সংক্রান্ত আরও খবর

ফেইসবুক পেজ

error: Content is protected !!