শিরোনাম
ত্রিশা‌লে নির্মণ কা‌জের উ‌দ্বোধন অব‌শে‌ষে মিনহা‌জের সহ‌যোগীতায় ম‌মে‌কে অজ্ঞাত বৃদ্ধা ফুলবাড়িয়া মাহফিজুর রহমান বাবুলের তৃতীয় সন্তান নিলয় আর নেই। আর এম বি সি কল্যাণ সমিতি, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা,র সাধারন সম্পাদক ও আওয়ামীলীগ নেতা সদ্য প্রয়াত সাইদুল ইসলাম খান পল স্বরণে আলোচনা, মিলাদ ও দোয়া ফুলবাড়িয়ায় জাতীয় পার্টি, র মহাসচিব এর রোগমুক্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত ফুলবাড়িয়ায় আ’লীগ শীর্ষ নেতাদেরকে অসম্মান করে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ময়মন‌সিংহ বিভাগ সমিতি ঢাকা,র করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরন প্রতিবন্ধী দুই ছেলেকে বাঁচাতে মা-বাবার আকুতি ত্রিশালে বলাৎকারের অভিযোগে বড় হুজুর আটক আরেক দফা বাড়াছে বিধিনিষিধ, চুরান্ত কাল

কিশোরগঞ্জে দুই সহোদরসহ চারজনকে ফাঁসি

  • আপডেট সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৪৪ দেখেছে

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে আলোচিত ডাকাতিসহ সরকারি কর্মচারী খুনের মামলায় আদালত দুই সহোদরসহ চারজনকে ফাঁসি ও চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। একইসাথে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও প্রদান করা হয়েছে।

আজ সোমবার সকালে কিশোরগঞ্জের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণাকালে আসামীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন করিমগঞ্জ উপজেলার নোয়াবাদ ইউনিয়নের সিংগুয়া গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে কাশেম ও তার সহোদর ভাই নজরুল ইসলাম, একই গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে লিটন ও মৃত শুকুর মাহমুদের ছেলে ছাত্তার।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও অন্যান্যসুত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালের ২৩ এপ্রিল রাতে করিমগঞ্জ উপজেলার সিংগুয়া গ্রামের গণপূর্ত বিভাগের সাবেক কর্মচারী আব্দুর রহমান আমিনের বসত বাড়িতে আসামীরা ডাকাতি করতে আসে। ডাকাতি করাকালে আব্দুর রহমান বাঁধা দিলে আসামীরা আব্দুর রহমানকে ছুরি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও দা দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। এসময় আব্দুর রহমানের স্ত্রী নূরুন্নাহারকেও ছুরিকাঘাত করে আসামীরা। পরে নগদ ৮০ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে আসামীরা সটকে পড়ে। খবর পেয়ে প্রতিবেশিরা আহতদের উদ্ধার করে করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আব্দুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নূরুন্নাহার বাদী হয়ে চিহ্নিত ৮ জনসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামী করে করিমগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়। ২০০৮ সালের ২৮ জানুয়ারি সিআইডির এএসপি রফিকুল ইসলাম ৮জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার শুনানী শেষে স্বাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বিচারক এই রায় প্রদান করেন বলে জানা গেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই সংক্রান্ত আরও খবর

ফেইসবুক পেজ

error: Content is protected !!