জাতীয়তথ্যশীর্ষ খবরসর্বশেষসিলেট

কতৃপক্ষের উদাসীনতায় ২০১৩ সালে টেন্ডার হাওয়ার পরেও ২ কোটি ৮০লক্ষ টাকার কাজ সম্পাদন হয়নি এখনো।

নিজস্ব প্রতিবেধক-মাইদুল হাসান রিপনঃ কতৃপক্ষের উদাসীনতায় ২০১৩ সালে টেন্ডার হাওয়ার পরেও ২ কোটি ৮০লক্ষ টাকার কাজ সম্পাদন করতে পারেনি সরকার দলীয় প্রভাবশালী ঠিকাদার মকসুদ আহমদ চৌধুরীঃ এতে সরকারের উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার অন্তরর্গত দুবাগ ইউনিয়নের পনেরটি গ্রামের সাধারণ জনগন। কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে জাতীর শ্রেষ্ট সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুম আহমেদের কবরস্থানসহ ব্রিটিশ আমলের স্থানীয় হাসপাতাল ডাকঘর,স্কুল, মসজিদ, ইদগাঁহ, খেলার মাঠ,রাস্তা সহ-১০/১২টি বাড়ীঘর। সরেজমিনে গিয়ে প্রতিবেদক জানতে পারেন টেন্ডার অনুযায়ী নদীতে আংশিক বাধ দেওয়ার পর হঠাৎ করে ঠিকাদার কাজ বন্দ করে দেন। এমনকি টেন্ডার অনুযায়ী কাজ সম্পাদন না করেই কয়েক দফায় টাকা তুলে নেয়ায় এখন প্রকল্পটি বন্দ হয়েগেছে। দুবাগ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান জনাব আব্দুস সালামের সাথে দেখা করলে। তিনি জানান ঠিকাদার মাকসুদ আহমেদ চৌধুরীর গাফিলতির জন্য সরকারের চলমান উন্নয়ন থেকে বঞ্জিত হচ্ছে অত্র ইউনিয়নের জনগন। এমনকি তিনি বলেন এর জন্য দায়ী প্রভাবাশালী ঠিকাদার। ঠিকাদার মাকসুদ আহমদ চৌধুরীর সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করলে তিনি কোন সদুত্তর না দিয়ে জানান প্রকল্পটি পুনরায় টেন্ডারের প্রক্রিয়াধীন। যদি আবার টেন্ডার হয় তাহলে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে চাননি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুম আহমেদ ও বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালিকের পরিবারের সদস্যরা জানান অতি তাড়াতাড়ি কুশিয়ারা নদীর বাধ নিমার্ণ না করলে জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তান বীরমুক্তি যোদ্ধাদের কবরস্থান নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে বীরমুক্তিযোদ্ধা মাসুম আহমেদের কবরস্থান নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

Comment here