শিরোনাম
ত্রিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিখিলের মৃত্যু ত্রিশা‌লে নির্মণ কা‌জের উ‌দ্বোধন অব‌শে‌ষে মিনহা‌জের সহ‌যোগীতায় ম‌মে‌কে অজ্ঞাত বৃদ্ধা ফুলবাড়িয়া মাহফিজুর রহমান বাবুলের তৃতীয় সন্তান নিলয় আর নেই। আর এম বি সি কল্যাণ সমিতি, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা,র সাধারন সম্পাদক ও আওয়ামীলীগ নেতা সদ্য প্রয়াত সাইদুল ইসলাম খান পল স্বরণে আলোচনা, মিলাদ ও দোয়া ফুলবাড়িয়ায় জাতীয় পার্টি, র মহাসচিব এর রোগমুক্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত ফুলবাড়িয়ায় আ’লীগ শীর্ষ নেতাদেরকে অসম্মান করে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ময়মন‌সিংহ বিভাগ সমিতি ঢাকা,র করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরন প্রতিবন্ধী দুই ছেলেকে বাঁচাতে মা-বাবার আকুতি ত্রিশালে বলাৎকারের অভিযোগে বড় হুজুর আটক

ভ্রাম্যমাণ আদালতে শিশুদের সাজা দেওয়া অবৈধ : হাইকোর্ট

  • আপডেট বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২০
  • ৮১ দেখেছে

ভ্রাম্যমাণ আদালতে শিশুদের সাজা দেওয়া অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে দেওয়া রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। রায়ে ১২১ শিশুকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেওয়া সাজাও বাতিল করা হয়েছে। রায় প্রদানকারী বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল স্বাক্ষরের পর সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে রাতে ৩১ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম ও অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান রায় প্রকাশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রায়ে বলা হয়েছে, শিশুর বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযোগের বিচার শুধু শিশু আদালতেই হতে হবে। ভ্রাম্যমাণ আদালত দূরের কথা, নিম্ন আদালতের কোনো বিচারক শিশুদের বিচার করলেও তা হবে বেআইনি।

কোনো অপরাধে প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু একত্রে জড়িত থাকলেও শিশুর বিচার শুধু শিশু আদালতই করবে। অন্য কোনো আদালত দণ্ড দিলে তা অবৈধ হবে। শিশুদের মোবাইল কোর্ট কোনো দণ্ড দিতে পারবে না। কারণ মোবাইল কোর্ট কোনো শিশুকে দণ্ড দিলে তা সংবিধানের ৩০ ও ৩৫ অনুচ্ছেদে মৌলিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে। ১২১ শিশুকে দণ্ড দানের ক্ষেত্রেও মৌলিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে।

গত ১১ মার্চ এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে হাইকোর্ট রায় দেন।

আদালত রায়ে বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে একই সময়ে ওই ১২১ শিশুকে যে প্রক্রিয়ায় সাজা দেওয়া হয়েছে তা মানবাধিকারের লঙ্ঘন ও অমানবিক। একইসঙ্গে এই ধরনের সাজাপ্রদান আমাদের বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে বহির্বিশ্বে দেশের সুনামকে ব্যাহত করেছে। তাই এখনই তা বন্ধ করতে হবে।

গত বছরের ৩১ অক্টোবর ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেওয়া দণ্ডে যশোর ও টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে অন্তরীণ ১২১ শিশুকে মুক্তির নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শিশুদের দেওয়া দণ্ড ও আটকাদেশ কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। আদালতের আদেশে পরে এসব শিশুকে মুক্তি দেওয়া হয়।

‘আইনে মানা, তবু ১২১ শিশুর দণ্ড’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন ছাপা হয়। প্রতিবেদনটি নজরে নিয়ে আদালত শিশুদের মুক্তির নির্দেশ ও রুল জারি করেন। প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে এনে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম ও অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই সংক্রান্ত আরও খবর

ফেইসবুক পেজ

error: Content is protected !!