শিরোনাম
এবার নেত্রকোনায় ৩ নবজাতকের নাম রাখা হলো স্বপ্ন ,পদ্মা ও সেতু: নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই দেবে গেলো সাড়ে তিন কোটি টাকার সেতু সুনামগঞ্জে ১৫ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ বন্যা, বিপাকে লক্ষ লক্ষ মানুষ নেত্রকোনায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত, বেড়ে চলেছে নদ-নদীর পানি টাঙ্গাইলে ১৮ ইউপি নির্বাচনে আ.লীগ ১১, বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র ৭ টাঙ্গাইলে কিলোমিটার পোস্টে ‘বঙ্গবন্ধু’ বানান ভুল বঙ্গবন্ধুর যে স্বপ্ন ছিল পদ্মা সেতু তার কন্যার নেতৃত্বে বাস্তবায়িত হচ্ছে : শেখ হেলাল গোয়াইনঘাটে আবারও বন্যায় বিপর্যস্ত জনজীবন, বাড়ছে পানি দোয়ারাবাজারে নৌকা ডুবে স্কুল শিক্ষার্থী ভাই বোনের মৃত্যু সুনামগঞ্জে বন্যার পানিতে ৫ টি উপজেলা প্লাবিত, হাওরে নৌকা ডুবিতে ভাই বোনের মৃত্যু

বিশিষ্টজনদের অভিযোগ ভিত্তিহীন: নির্বাচন কমিশনার

  • আপডেট রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১৫৬ দেখেছে

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থসংশ্লিষ্ট গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগ এনে ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের’ মাধ্যমে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দেশের ৪২ নাগরিক। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছে চিঠি দিয়েছেন তাঁরা।

এ চিঠির বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেছেন, এ অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে। তাদের এ বক্তব্য শিষ্টাচার বহির্ভূত কী না তা দেশবাসী বিচার করবেন।

চিঠির বিষয়ে কোনো চ্যালেঞ্জ করতে চান কী না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাংবিধানিক পদে থেকে কোনো চ্যালেঞ্জ করতে চাই না। তারা মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি দিয়েছেন। এখন রাষ্ট্রপতি বিষয়টি দেখবেন।

প্রসঙ্গত, ১৪ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির কাছে এ বিশিষ্টজনদের ওই চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে গতকাল এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। ৪২ জন নাগরিকের পক্ষে ওই চিঠি পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক। চিঠিতে সাংবিধানিক এই সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের অধীনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠনের আবেদন জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতি বরাবর দেওয়া আবেদনে ইসির বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে, তা সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিভিন্নভাবে গুরুতর অসদাচরণে লিপ্ত হয়েছেন। কমিশনের সদস্যরা একদিকে গুরুতর আর্থিক দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, যা অভিশংসনযোগ্য অপরাধ। একইভাবে তারা বিভিন্নভাবে আইন ও বিধিবিধানের লঙ্ঘন করে গুরুতর অসদাচরণ করে চলেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই সংক্রান্ত আরও খবর

ফেইসবুক পেজ

error: Content is protected !!