শিরোনাম
এবার নেত্রকোনায় ৩ নবজাতকের নাম রাখা হলো স্বপ্ন ,পদ্মা ও সেতু: নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই দেবে গেলো সাড়ে তিন কোটি টাকার সেতু সুনামগঞ্জে ১৫ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ বন্যা, বিপাকে লক্ষ লক্ষ মানুষ নেত্রকোনায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত, বেড়ে চলেছে নদ-নদীর পানি টাঙ্গাইলে ১৮ ইউপি নির্বাচনে আ.লীগ ১১, বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র ৭ টাঙ্গাইলে কিলোমিটার পোস্টে ‘বঙ্গবন্ধু’ বানান ভুল বঙ্গবন্ধুর যে স্বপ্ন ছিল পদ্মা সেতু তার কন্যার নেতৃত্বে বাস্তবায়িত হচ্ছে : শেখ হেলাল গোয়াইনঘাটে আবারও বন্যায় বিপর্যস্ত জনজীবন, বাড়ছে পানি দোয়ারাবাজারে নৌকা ডুবে স্কুল শিক্ষার্থী ভাই বোনের মৃত্যু সুনামগঞ্জে বন্যার পানিতে ৫ টি উপজেলা প্লাবিত, হাওরে নৌকা ডুবিতে ভাই বোনের মৃত্যু

ত্রিশালে ভাসুরের টাকা স্বর্ণালংকার নিয়ে ফেরৎ দেয়ার নামে টালবাহানা

  • আপডেট শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২৬৬ দেখেছে

স্বামীর সংসার থেকে টাকা পয়সা নিয়ে বাপের বাড়ি পাঠানো ছিল হাবিবা খাতুনের (২৫) প্রায় নিত্য অপকর্ম । শেষবার সেই অপকর্ম ডিঙিয়ে গড়িয়ে ভাসুরের বাড়িতে। ভাসুরের ঘরে থাকা নগদ ৪ লাখ টাকা সাথে ১০ ভড়ি স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে। হাবিবার এহেন ঘটনার প্রতিকারের অভিযোগ গড়িয়েছে, গ্রাম্য সালিশ, থানা পুলিশ এমনকি আদালত পর্যন্ত । স্থানীয়রা বলছেন, হাবিবাই কেবল নয় , তার গোটা পরিবারই প্রতারক শ্রেণির ।।

ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নে । অভিযোগ, হরিরামপুর ইউনিয়নের বাদামিয়া মীরবাড়ি গ্রামের হোসাইন আহমেদ সুরুজের মেয়ে হাবিবা খাতুন । স্থানীয় হরিরামপুর গ্রামের আবু সাইদের সাথে ৫ বছর আগে বিয়ে হয় তার । এসময় তাদের কোলজুড়ে আসে দুইজন সন্তান । স্বামীর চাকুরির সুবাদে তারা বাইরে বসবাস করত ।

সেসময় স্বামীর সংসার থেকে টাকা- পয়সা সরিয়ে বাপের বাড়ি দিয়ে দিত হাবিবা । গত ২৪ – ৬ ২০ ইং তারিখে হাবিবা তার স্বামী আবু সাঈদের বড় ভাই অর্থাৎ ভাসুর হাবিবুর রহমানের ঘরে রাখা ব্যবসার ৪ লাখ টাকা এবং ১০ ভড়ি স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যায় । স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে দেন দরবারের মাধ্যমে টাকা ও স্বর্ণালংকার ফেরৎ চাওয়া হলে ফেরৎ দেয়ার প্রতিশ্রতি দিয়ে টালবাহানা শুরু হয় । ঘটনা গড়ায় থানা পুলিশে । সেখানেও ফেরৎ দেয়ার কথা বলে চলতে থাকে সময় ক্ষেপণ । হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে ময়মনসিংহের বিজ্ঞ আদালতে মামলা করেন ।

আদালতের নির্দেশে মামলা তদন্তের দায়িত্ব বর্তায় ত্রিশাল থানার পুলিশের কাছে । থানার এসআই আবদুল কাইয়ুম মামলার তদন্ত শুরু করেন । তদন্তকারী এই কর্মকর্তা জানান, সরেজমিনে বিষয়টির তদন্ত করা হচ্ছে । সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে । ভূক্তভোগী হাবিবুর রহমান জানান, ছোট ভাই বৌ হাবিবা খাতুন তার বাবা হোসাইন আহমেদ সুরুজের পরামর্শে টাকা চুরি করে নিয়ে যায় ।

স্থানীয় আাবুল হাশেম জানান, হাবিবা খাতুন ও তার বাবা হোসাইন আহমেদ সুরুজ টাকা ও স্বর্ণলংকার নেয়ার কথা স্বীকার করলেও তা ফেরৎ দিচ্ছে না । তারা প্রতারক শ্রেণির লোক । ভূক্তিভোগী এর একটা বিহীত অর্থাৎ প্রতিকার চান ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই সংক্রান্ত আরও খবর

ফেইসবুক পেজ

error: Content is protected !!