তানোর ভূমি অফিসের নাজির ও সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে পজিশন দেয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ

সারোয়ার হোসেন, তানোর (রাজশাহী) থে‌কে
  • আপডেট শুক্রবার, ১ এপ্রিল, ২০২২
  • ২৯ দেখেছে

রাজশাহীর তানোর এসিল্যান্ড (ভূমি) অফিসের নাজির শাহিনুর রহমান ও সার্ভেয়ার পুলক কুমারের বিরুদ্ধে গোল্লাপাড়া ও মুন্ডুমালা বাজারের সরকারি হাটের পজিশন লিজ দেয়ার নামে ব্যবসায়ীদের কাছে থেকে সুকৌশলে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন বলে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভূমি অফিসের কর্মকর্তা নাজির শাহিনুর রহমান ও সার্ভেয়ার পুলক কুমার অবৈধ ভাবে গোল্লাপাড়া হাট ও মুন্ডুমালা বাজারের জায়গা ব্যবসায়ীদের লিজ দেয়ার নামে ৪লাখ থেকে ৫লাখ করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। তাদেরকে টাকা দিলেই মিলছে সরকারি জায়গার পজিশন। এমনকি টাকার বিনিময়ে জায়গার পজিশন না পেলেও ফাঁকা ডিসিআর পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে এসিল্যান্ড(ভূমি)অফিস থেকে। আর এইসবের মূল হোতা নাজির শাহিনুর রহমান ও সার্ভেয়ার পুলক কুমার বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন গোল্লাপাড়া ও মুন্ডুমালা বাজারের ব্যবসায়ীরা। এতে করে ভূমি অফিসের নাজির শাহিনুর রহমান ও সার্ভেয়ার পুলক কুমারের এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ফাঁস হয়ে পড়লে উপজেলা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে অসন্তোষ ও নাজির এবং সার্ভেয়ারের শাস্তির দাবিতে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ছড়িয়ে পড়েছে উত্তেজনা। এতে করে যেকোন সময় সময় ভূমি অফিসের নাজির ও সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হতে পারে মানববন্ধন কর্মসূচী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোল্লাপাড়া বাজারের ওয়ার্কসপ(লেদ) ব্যবসায়ী জানান,ভূমি অফিসের নাজির ও সার্ভেয়ার তার কাছে থেকে ২লাখ টাকা নিয়েছেন বাজারের জায়গার একটি পজিশন লিজ দেয়ার জন্য। কিন্তু তাকে জায়গা বুঝে না দিয়ে তাকে শুধু একটি ফাঁকা ডিসিআর কেটে দিয়েছেন নাজিম শাহিনুর রহমান।

এছাড়াও গোল্লাপাড়া বাজারের পান দোকানদার আব্দুল জলিল বলেন, আমাদের কাছে থেকে নাজির ও সার্ভেয়ার জায়গা দেয়ার কথা বলে দেড় লাখ টাকা নিয়ে শুধু ডিসিআর দিয়েছেন। কিন্তু কোন জায়গা বুঝে দিচ্ছেন না তাঁরা। বিষয়টি নিয়ে তানোর

এসিল্যান্ড(ভূমি) অফিসের নাজির শাহিনুর রহমান ও সার্ভেয়ার পুলক কুমারের সাথে কথা বলা হলে, তাঁরা সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সরকারি জায়গা আমরা কি করে লিজ দিব। সরকারি জায়গা লিজ দেয়ার মালিক ডিসি স্যার ও ইউএনও স্যার। তবে টাকা নেয়ার কথা শিকার করে বলেন,যাদের কাছে থেকে টাকা নেয়া হয়েছে তারা যদি জায়গা না পায় তাহলে তাদের টাকা ফেরত দেয়া হবে বলে জানান তাঁরা।

এবিষয়ে তানোর এসিল্যান্ড (ভূমি) কর্মকর্তা স্বীকৃতি রানী সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও পংকজ চন্দ্র দেবনাথের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনিও ফোন রিসিভ না করায় কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই সংক্রান্ত আরও খবর

ফেইসবুক পেজ

error: Content is protected !!