শিরোনাম
আর এম বি সি কল্যাণ সমিতি, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা,র সাধারন সম্পাদক ও আওয়ামীলীগ নেতা সদ্য প্রয়াত সাইদুল ইসলাম খান পল স্বরণে আলোচনা, মিলাদ ও দোয়া ফুলবাড়িয়ায় জাতীয় পার্টি, র মহাসচিব এর রোগমুক্তি কামনায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত ফুলবাড়িয়ায় আ’লীগ শীর্ষ নেতাদেরকে অসম্মান করে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ময়মন‌সিংহ বিভাগ সমিতি ঢাকা,র করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরন প্রতিবন্ধী দুই ছেলেকে বাঁচাতে মা-বাবার আকুতি ত্রিশালে বলাৎকারের অভিযোগে বড় হুজুর আটক আরেক দফা বাড়াছে বিধিনিষিধ, চুরান্ত কাল ত্রিশালে হারা‌নো সুমাইয়া প‌রিবা‌রে ফেরৎ ত্রিশা‌লে লকডাউন অমান‌্য করায় ১৬ জন‌কে জ‌রিমানা রাস্তা সংস্কারের দাবিতে ত্রিশালে মানববন্ধন

আসল জিরা চিনবেন কীভাবে?

  • আপডেট সোমবার, ২২ জুন, ২০২০
  • ১০০ দেখেছে
জিরা

জিরার নামে আমরা সস্তা দামের মৌরি, সলুক ও ক্যারাওয়ে খাচ্ছি! জিরাতে ভেজালের পরিমাণটা একটু বেশিই থাকে। এটি রোদে শুকিয়ে বিক্রি করা হয় বলে নির্যাস বের করে নিলেও বোঝা যায় না। এক্ষেত্রে পরখ করতে হয় জিরার স্বাদ ও গন্ধ। দু’একটি জিরা মুখে দিয়ে চিবিয়ে দেখুন। আসল জিরা হলে এর স্বাদ হবে ঝাঁঝালো ও গন্ধ হবে তীব্র।

সলুক বা ডিল সীড
সলুক দেখতে অবিকল চিকন জিরার মতোই। ইহাকে ইংরেজিতে ডিল সিড বলে। সাধারণত যে কোনো মানুষ এসব বীজকে চিকন জিরা হিসেবেই চিনে। কিন্তু ডিল সিড এক শ্রেণির তৈল বীজ যা, আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হওয়ায় ডিল সিডের চাহিদা রয়েছে বাংলাদেশে। সলুকের বীজে সুগন্ধি আছে কিন্তু ঝাঁঝালো ও গন্ধ তেমন তীব্র নই। সলুকের দাম জিরার তিন ভাগের একভাগ।

মৌরি
মসলার জগতে মৌরি একটি প্রসিদ্ধ নাম। মৌরির ইংরেজি নামঃ Fennel। হোটেল- রেস্তোরাঁয় খাবারের পর বাটিতে করে সুগন্ধিযুক্ত এই মৌরি বা মিষ্টি জিরা পরিবেশন করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে বুকিং রেট জিরার তিন ভাগের একভাগ।
ক্যারাওয়ে
‘ক্যারাওয়ে’ দেখতে রান্নার অনন্য উপকরণ চিকন জিরার মতোই। বাজারে ‘চিকন জিরা’ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে মিশর থেকে আসা ‘ক্যারাওয়ে’। মসলা গবেষকদের মতে, দেখতে একই রকম হওয়ায় এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ক্যারাওয়ে আমদানি করে চিকন জিরার সাথে মিশিয়ে বিক্রি করছেন। পাশাপাশি চিকন জিরা হিসেবে ব্যবহারের কারণে রসনার সত্যিকারের স্বাদও বদলে যাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে বুকিং রেট খুবই কম হওয়ায় সেই সুযোগে কম দামের ডিল সীড ও ক্যারাওয়ে আমদানি করছে অসাধু চক্র তারপর চিকন জিরার সাথে মিশিয়ে বিক্রি করছে।

এক্সপার্ট ছাড়া চিকন জিরা চিনা, সাধারণ মানুষের পক্ষে খুবই কষ্টসাধ্য একটা ব্যাপার। কারণ এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ৩০ কেজি চিকন জিরার বস্তার সাথে ডিল বা ক্যারাওয়ে সীড অনায়াসে মেশানো যায়।

তাই আমাদের ভেজালমুক্ত চিকন জিরা পেতে হলে দুটো পথ খোলা। হয়তো ব্র্যান্ডের ৩০ কেজির বস্তা কিনতে হবে না হয় সৎ উদ্যোক্তা থেকে নির্ভেজাল চিকন জিরা কিনতে হবে। সত্যিকারের রসনার স্বাদ পেতে হলে এছাড়া আমাদের আর কোন গতি নেই।

ফাউন্ডার: রন্ধন মসলা

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই সংক্রান্ত আরও খবর

ফেইসবুক পেজ

error: Content is protected !!